বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২০, ১২:৫০ অপরাহ্ন
মোট আক্রান্ত

১৪৯,২৫৮

সুস্থ

৬২,১০৮

মৃত্যু

১,৮৮৮

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • চট্টগ্রাম ৮,০৩৫
  • নারায়ণগঞ্জ ৫,০২১
  • গাজীপুর ৩,২৭০
  • ঢাকা ৩,১০৬
  • কুমিল্লা ৩,০৭৪
  • কক্সবাজার ২,৫০৬
  • সিলেট ২,২৫০
  • নোয়াখালী ২,০৯২
  • মুন্সিগঞ্জ ১,৯৪৪
  • ফরিদপুর ১,৮২৭
  • খুলনা ১,৭৮৬
  • ময়মনসিংহ ১,৬৫৬
  • বরিশাল ১,৩৭৮
  • নরসিংদী ১,২৮০
  • কিশোরগঞ্জ ১,০৮৩
  • সুনামগঞ্জ ৯৫৯
  • চাঁদপুর ৮৫৬
  • রংপুর ৮৩৫
  • লক্ষ্মীপুর ৮২৩
  • ফেনী ৭৮৬
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৭৩৩
  • মাদারীপুর ৬৬৬
  • টাঙ্গাইল ৬২৮
  • রাজশাহী ৬১০
  • গোপালগঞ্জ ৬০৯
  • হবিগঞ্জ ৫৮৫
  • মানিকগঞ্জ ৫৭৬
  • দিনাজপুর ৫৬৩
  • যশোর ৫৫৫
  • জামালপুর ৫৪২
  • কুষ্টিয়া ৫৩৫
  • নেত্রকোণা ৫১১
  • শরীয়তপুর ৪৭২
  • নওগাঁ ৪৫২
  • পাবনা ৪৪৭
  • সিরাজগঞ্জ ৪৩৯
  • মৌলভীবাজার ৪১৪
  • রাজবাড়ী ৩৮৯
  • জয়পুরহাট ৩৬৬
  • নীলফামারী ৩২৭
  • বান্দরবান ৩১২
  • ভোলা ২৮৬
  • বরগুনা ২৪৫
  • শেরপুর ২৪৪
  • খাগড়াছড়ি ২৩৭
  • গাইবান্ধা ২৩৬
  • চুয়াডাঙ্গা ২১২
  • পটুয়াখালী ২০৪
  • ঠাকুরগাঁও ১৯৬
  • ঝালকাঠি ১৯৩
  • নাটোর ১৬৭
  • বাগেরহাট ১৬৬
  • ঝিনাইদহ ১৬৫
  • সাতক্ষীরা ১৫৯
  • পিরোজপুর ১৫৫
  • নড়াইল ১৫৩
  • বগুড়া ১৩৭
  • পঞ্চগড় ১৩২
  • কুড়িগ্রাম ১৩০
  • রাঙ্গামাটি ১১৬
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ১০১
  • মাগুরা ৯৭
  • লালমনিরহাট ৭৬
  • মেহেরপুর ৫৯
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট

জামালপুরে করোনা ‘য় আক্রান্ত ৬ চিকিৎসকসহ ১৮ স্বাস্থ্যকর্মী

নিজস্ব প্রতিবেদক : / ১৪৩ বার পড়া হয়েছে :
আপডেট : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২০
করোনার আতঙ্কে, জেলার বেশিরভাগ হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলি রোগীদের শূন্য, কোনও ওয়ার্ডের বয় ও নার্স নেই, এবং ডাক্তারদের উপস্থিতি খুব বেশি লক্ষণীয় নয়। একের পর এক চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা করোনায় আক্রান্ত হন এবং জেলার স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হয়। এখনও আক্রান্ত না হওয়া বেশিরভাগ চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মী হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন।
জামালপুরে করোনায় আক্রান্ত ৬ চিকিৎসকসহ ১৮ স্বাস্থ্যকর্মী

করোনার আতঙ্কে, জেলার বেশিরভাগ হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলি রোগীদের শূন্য, কোনও ওয়ার্ডের বয় ও নার্স নেই, এবং ডাক্তারদের উপস্থিতি খুব বেশি লক্ষণীয় নয়। একের পর এক চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা করোনা তে আক্রান্ত হন এবং জেলার স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হয়। এখনও আক্রান্ত না হওয়া বেশিরভাগ চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মী হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন।

চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি আতঙ্ক হ্রাস করার সাথে সাথে সাধারণ রোগীরা এই পরিস্থিতিতে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। চিকিৎসার জন্য আসা সাধারণ রোগীরা এখানে-সেখানে ছুটে চলেছে। চিকিৎসা পরিষেবাগুলি ফার্মেসী নির্ভর হয়ে উঠেছে। করোনা

জেলার ৭ টি উপজেলার মধ্যে ৪ টি হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ডবয়, নার্স, বাবুর্চি এবং এমএলএস করোনার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন।

সিভিল সার্জনের অফিস সূত্রে জানা গেছে, জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের একজন সহকারী সার্জন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার, একজন নার্স, দুটি ওয়ার্ডবয়, একজন এমএলএস, একজন ভাই এবং একটি বাবুর্চি আক্রান্ত হয়েছেন। শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের একজন রেডিওলজিস্ট এবং সদর উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের একজন চিকিৎসকও আক্রান্ত হয়েছেন।

এ ছাড়া বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের একজন নার্স ও একটি বাবুর্চি, ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দুই চিকিৎসক, মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, ফার্মাসিস্ট, এক আয়া ও চালক আক্রান্ত হয়েছেন।

হোম কোয়ারান্টিনে ৩০ জন চিকিৎসক রয়েছেন। এর মধ্যে রবিবার জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ১০ জন চিকিৎসক কাজে যোগদান করেছেন, ভারপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক উত্তম কুমার সরকার।

তিনি আরও জানান, জেনারেল হাসপাতালের ১৫ জন স্বাস্থ্যকর্মীও হোম কোয়ারান্টিনে রয়েছেন। হোম কোয়ারান্টিনে ৪৫ জন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী করোনায় আক্রান্ত হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সংস্পর্শে আসেন। তাদের সবার করোনা নমুনা সংগ্রহ করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে প্রেরণ করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার পরে প্রতিবেদনটি নেগেটিভ আসলে কাজে যোগ দিচ্ছে।

রোগীর সংখ্যা পুরোপুরি শূন্য নয় দাবি করে তিনি বলেছিলেন যে আউটডোরে ৬’শ রোগীর মধ্যে এখন ৩০ জন রোগী আছেন । ইনডোর রোগী ৫০০ এর মধ্যে ৫৪ জন বর্তমানে ভর্তি রয়েছেন। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ডাক্তার রিজার্ভ রেখে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহ করা হচ্ছে।

জামালপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ আবু সাইদ মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান দাবি করেছেন যে সব হাসপাতালেই চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। জেলা সদর ও উপজেলার সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আক্রমণের পরে অনেক চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীকে হোম কোয়ারান্টিনের আওতায় রাখা হয়েছে। যারা ক্ষতিগ্রস্থদের সংস্পর্শে আসেনি তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরিষেবা প্রদান করা হচ্ছে। আমরা চিকিৎসা পরিষেবা ব্যাহত না করার চেষ্টা করছি।

আরো খবর


আরও সংবাদ :